• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

আত্রাইয়ে বর্ষা মৌসুমে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরির কারিগররা

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি / ৮৮ Time View
Update : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় নদ নদী আর খাল বিলে বাড়ছে বর্ষার পানি।আর এই পানিতে গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে ছোট বড় মাঝাড়ি ধরণের নৌকা। এই নৌকার চাহিদা মেটাতে আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন নদী, খাল ,বিলে মাছ ধরতে আত্রাইয়ের নৌকার কারিগররা মেতে উঠেছেন নৌকা তৈরিতে।এতে করে এ ই মৌসুমে কারিগড় ও মালিকদের বেশ কিছু টাকা উপার্জন হয়। এসব নৌকা দিয়ে মানুষ পারাপার, মাছ, শিকার আর নদ-নদী থেকে গরুর জন্য গো –খাদ্য সংগ্রহ করে থাকেন।স্থানীয়রা শিকার করা মাছ বিক্রি করে বষায় অধিকাংশ লোক তাদের পরিবারের খাবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে থাকেন। আত্রাইয়ের জয়সাড়া-পার-পাঁচুপুর ঘুরে দেখা গেছে কাঠ মিস্ত্রিরা ণৌকা তৈরির উপকরণ দিয়ে অনেক সুন্দর করে বিভিন্ন আকারের নৌকা তৈরি কর ছেন। প্রকার ভেদে একেকটি ণৌকার দাম ৫ থেকে ৩০ হাজার। এছাড়া তারা ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা দামেও ণৌকা তৈরি করে থাকেন। সরে জমিনে দেখা যায়, অনেক বাড়ির আঙ্গিনায় পানি চলে আসায় নৌকা ছাড়া বাড়ি থেকে বের হতে পারে না। এ সময়টাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষের চলাচল ও জীবিকার তাগিদে বেড়ে যায় ছৌট ছৌট নৌকারকোথাও আসা যাওয়া করতে হলে গ্রাম এলাকার মানুষের ণৌকা ছাড়া চলেনা।তাই বর্ষা মৌসুম শুরু চলা চলৈর জন্য থাকে ছোট ছোট নৌকা।এটাই গ্রামাঞ্চলের মানুষের এক মাত্র ভরসা। এখন থেকে নৌকা কিনে নিচ্ছেন গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ। গ্রামাঞ্চল থেকে কমল মতি শিশুরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংম্বা কোনো কর্মস্থলে যেতে হলে নৌকা ব্যবহার করতে হয়। এলাকাবাসী সুজন কবিরাজ বলেন,বষার মৌসুম শুরু হওয়ার আগ মুহূর্ত থেকেই মহাজনরা ছোট ছোট কোষা ডিডি তৈরি শুরু করেন। বর্ষার পানি যখন চারিদিকে থই থই করতে থাকে তখন এসব ছোট বড় নৌকা,ডিঙ্গির কদর বাড়ে।এডিঙ্গি দিয়ে মানুষ মালামাল বহন করে । খরসতি, কাধব নগর, কাউয়া পাড়া নৌকার মাঝি জসিম উদ্দিন বলেন বর্ষার পানি এলেই আমাদের এই বিলে, নদীতে নৌকা ছাড়া পার হওয়া য়ায় না। তাই বর্ষার আগেই আমরা নৌকা কিনে আনি। দাম কখন ৫ হাজার আবার কখন ৭ হাজার টাকা পরে। আমিও এই নৌকা দিয়ে ছেলে মেয়েদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া আসা করি। আমি প্রতিদিন ৭থেকে ৮ শত টাকা আয় হয়। নৌকা তৈরির কারিগর গোবিন্দ বর্মণ বলেন,একেকটা নৌকা তৈরি করতে ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগে। এভাবে প্রতিমাসে একেকজন কারিগর নৌকা প্রকার ভেদে৪ থেকে ৫টা নৌকা তৈরি করতে পারে। মজুরি হিসেবে জনপ্রতি কারিগর প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বর্ষা মৌসুমে আয় হয়। এতে আমাদের বর্ষা মৌসুমে দিন গুলো ভালই কাটলো।

 


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা