• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

এক সেতুর অভাবে সাত গ্রামবাসীর দূর্ভোগ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি / ১১০ Time View
Update : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫

আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নেরপূব দূগাপুর- কৃষনপুর দুই গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাই ছোট যমুনা নদী। পারাপারের জন্য সেতু না থাকায় ভোগান্তির শেষ নেই জনসাধারণের। এলাকাবাসী অনেক বার একটি সেতুর আবেদন করেছেন জন প্রতিনিধিদের কাছে।মেলেনি কোন সারা। নদীর ওপর দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হয় পাশ্ববতী হরপুর,ডাঙ্গাপাড়া,বাউল্যাপাড়া,দূগাপুর, প্রেমতলী, কালিকাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম মিলে সাত গ্রামের প্রায় দশ হাজার মানুষ। এখারে ৫০ বছর ধরে নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা খেয়া নৌকা ।

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর ওপর কৃষনোপুর থেকে প্রেমতলী বাজার পযন্ত প্রায় ২০০ মিটার নদীতে খেয়া নৌকা মাঝি দিয়ে নৌকায় পারাপার হতে হয় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাগামী শিক্ষাথীসহ পথচারীদের।শিক্ষাথীরা অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে জীবনের ঝুকি নিয়ে প৪ারাপার হয়।স্থানীয় কৃষকেরাও উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে অতিরিক্ত টাকা ও সময় ব্যয় করেন। যার ফলে কৃষকেরা বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করলেও লাভের মূখ দেখতে হিমশিম খান। । এ ছাড়াও বিশেষ কাজে উপজেলা শহরে যেতে হলে কম পক্ষে দুই ঘন্টার বেশি সময় ব্যয় করতে হয় এলাবাসীদের।

পূব দূগাপুর গ্রামের এস এম শামিম ওছমান জানান, একটি সেতু না থাকায় আমরা প্রায় ১৫ হাজার মানুষ চরম দূভোগে আছি।যাতায়াত ব্যবস্থার অভাবে এলাকার মানুষ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

একই গ্রামের কৃষক আলহাজ্ব মোঃ সৈয়দ আলী মুন্সি বলেন, জরুরী কোন রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে হলে অনেক পথ ঘুরে হাসপাতালে যেতে হয়। এখানে একটা সেতু হলে মানুষের দূভোগ অনেক কমে যাবে।জীবনযাত্রা সহজ হবে। কৃষনোপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী এরশাদ আলী জানান,বষা মৌসুমে, সরকারী প্রাথমিক বিদদ্যালয়,ইসলামিক মাদ্রাসাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের যথা সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির বিঘ্নিত হয়। কমলমতি ছেলে-মেয়েদের নদী পারাপারের অনেক ঝুকিপূণ হয়।বন্যার সময় নৌকা ডুবার আশঙ্খা থাকে। কালিকাপুর ইউপির সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাকিম সরদার জানান,৫০ বছর ধরে এসব গ্রামের মানুষ যাতায়াতের ভূগান্তির শিকার। একটি সেতুর অভাবে স্থানীয় মানুষ নানা মূখী সমস্যায় আছেন। সেতুটি নিমাণ হলে চিকিৎসা,শিক্ষা,কৃষি সামগ্রী পরিবহনে এল াকার মানুষের ভাগ্যের সুফল আসবে। সেতু নিমানের জন্য উপজেলা নিবাহী অফিসারের নিকট আমি আবেদন জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা