• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

বগুড়ার শেরপুরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’র আয়োজনে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নাজমুল হুদা নয়ন, শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি / ১২৯ Time View
Update : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

 

বগুড়ার শেরপুরে শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এক অনন্য আয়োজন করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। তিনদিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের অংশ হিসেবে সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকাল ৪টা থেকে ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় প্রাণবন্ত চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রায় ১১০ জন এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, যা পুরো আয়োজনকে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরিয়ে তোলে। শিশুদের তুলির আঁচড়ে ফুটে ওঠে প্রকৃতি, দেশপ্রেম, স্বপ্ন ও কল্পনার নান্দনিক রূপ; অন্যদিকে আবৃত্তির মঞ্চে কণ্ঠে কণ্ঠে ধ্বনিত হয় কবিতার সৌন্দর্য ও আবেগ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার অর্গানাইজার মো. রুহুল আমিন, যিনি পুরো আয়োজনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার সমন্বয় করেন চারু নিকেতনের পরিচালক আমিনুল ইসলাম মাসুদ। আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় সমন্বয় করেন আবৃত্তিশিল্পী ইফতেখার আলম (ফরহাদ) এবং মো. রুহুল আমিন। এছাড়াও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মো. ইমরান হোসেন।

আয়োজকরা জানান, শিশুদের মধ্যে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়ানো, তাদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটানো এবং বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাই এ ধরনের আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুরা যেমন নিজেদের মেধা ও মনন প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে, তেমনি তারা একটি সুন্দর ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে।

তিনদিনব্যাপী এই বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব শেরপুরবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিনই নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে উঠছে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আনন্দের মিলনমেলা। আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যত প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা