• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে বড় বিজয় পেলেন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন

অনলাইন ডেস্ক / ১২৫ Time View
Update : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

কম্বোডিয়া সীমান্তে সামরিক উত্তেজনা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই থাইল্যান্ডে সম্পন্ন হলো ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পেয়েছে দেশটির বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন দল ‘ভূমিজাই থাই পার্টি’। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির নির্বাচন কমিশন ভোটের ফলাফল ঘোষণা করার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​থাই পার্লামেন্টের মোট আসন ৪৯২টি। সরকার গঠন করতে হলে কোনো দল বা জোটকে অন্তত ২৪৬টি আসনে জয়ী হতে হয়। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী:

  • ভূমিজাই থাই পার্টি (আনুতিন): ১৯৪-১৯৬টি আসন।
  • পিপলস পার্টি (নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী): ১১৬-১১৭টি আসন।
  • পিউ থাই পার্টি ও অন্যান্য: ১৮০টি আসন।

​কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় এখন জোট সরকার গঠনই একমাত্র পথ। তবে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আনুতিন চার্নভিরাকুলই জোট সরকারের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বলে জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

​৫৮ বছর বয়সী আনুতিন একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট নৈতিকতা লঙ্ঘনের দায়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে আদালত অযোগ্য ঘোষণা করলে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আনুতিন। উল্লেখ্য, পায়েতংতার্ন ছিলেন থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী এবং সাবেক নেতা থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে।

​থাইল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি গত কয়েক বছর ধরে বেশ টালমাটাল। গত দুই বছরে দেশটিতে তিনজন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছেন। এছাড়া গত ডিসেম্বরে কম্বোডিয়া সীমান্তে থাই সেনাবাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আনুতিন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এই সীমান্ত সংঘাতে আনুতিনের ‘কঠোর অবস্থান’ ও জাতীয়তাবাদী ভাবমূর্তিই তাকে এই নির্বাচনে বড় জয় পেতে সাহায্য করেছে।

​নির্বাচনে জয়ের পর আনুতিন জানান, “এই জয় সকল থাই জনগণের। আমরা একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল সরকার গঠনের দিকে তাকিয়ে আছি।” এখন অন্যান্য ছোট দলগুলোর সাথে আলোচনা করে খুব শীঘ্রই নতুন সরকার ও মন্ত্রিসভা গঠন করবেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা