• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

বিয়ের প্রলোভনে স্বর্ণ ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ স্ক্রিপ্ট রাইটার সুজন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে

বগুড়া প্রতিনিধি / ৮১ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬


‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা, এরপর পরিকল্পিতভাবে প্রতারণা করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ এবং জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ তুলে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নিজের সম্মান ও নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশ না করে ‘ছদ্মনাম’ ব্যবহারের অনুরোধ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয় রাজিন আলমগীর ওরফে সুজন সিদ্দিকি (৩৯)-এর সঙ্গে। অভিযুক্তের পিতা লুৎফর রহমান (লেবু মাস্টার) ও মাতা মোছা. তোছিরন; তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের গিলেতলা বাজার এলাকায় এবং রাজধানীর উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের দিয়াবাড়ি এলাকায় তার বসবাস রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। পেশায় তিনি একজন নাটকের পরিচালক ও স্ক্রিপ্ট রাইটার এবং তার ভাইয়ের মালিকানাধীন একটি মিডিয়া হাউজে কাজ করেন বলেও দাবি করা হয়। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচয়ের পর অভিযুক্ত ধীরে ধীরে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে প্রেমের গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন এবং মিডিয়া জগতে কাজের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার আস্থা অর্জন করেন। তিনি বলেন, গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তাকে ময়মনসিংহে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বিয়ের কথা বলে তার কাছে থাকা সব মূল্যবান সামগ্রী সঙ্গে নিতে বলা হয়; অভিযুক্তের কথায় বিশ্বাস করে তিনি প্রায় ৩ লাখ টাকা ও সাড়ে ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার সঙ্গে নিয়ে যান। অভিযোগ করা হয়, সেখানে তাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় এবং অচেতন অবস্থার সুযোগে তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে অভিযুক্ত চলে যান। ভুক্তভোগী আরও দাবি করেন, সম্পর্ক চলাকালে বিভিন্ন অজুহাতে—কখনও ব্যবসার কথা বলে, কখনও মিডিয়ায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে—অভিযুক্ত তার কাছ থেকে আরও কয়েক লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে গত তিন মাস ধরে অভিযুক্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলতে থাকেন এবং ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্ম থেকে তাকে ব্লক করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়। সর্বশেষ ঈদের তিন দিন আগে তিনি অভিযুক্তের বাসায় গেলে অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে অস্বীকার করেন এবং ‘চিনি না’ বলে বাড়ি থেকে বের করে দেন—এমন অভিযোগও তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের ভাই রউফ তানভীর রুহি ও ভগ্নিপতি সুমন আহমেদসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, তিনি বর্তমানে নিঃস্ব, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং তার সম্মান, অর্থ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত; তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজিন আলমগীর ওরফে সুজন সিদ্দিকীর সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি; এমনকি তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিও খুঁজে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা