• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের অধিকাংশ রাস্তা চলাচলের অযোগ্য : জনদুর্ভোগ চরমে

নাজমুল হুদা নয়ন, শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি: / ১৪৮ Time View
Update : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫

শেরপুর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কের বেহাল দশা চরম জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিটি সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তা গুলো।

 

শেরপুর পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ১৮৭৬ সালে বগুড়া পৌরসভার আগেই প্রতিষ্ঠিত হয় শেরপুর পৌরসভা। প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস।

 

শহরের মধ্যে রয়েছে শেরপুর উপজেলার বৃহত্তম বারোদুয়ারী হাট, একটি ৩১ শয্যার সরকারি হাসপাতাল, ১৬টিরও বেশি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এবং ১০টির মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হয়েও এখানকার নাগরিক সুবিধার মান অত্যন্ত নিম্ন।

 

শহরের খন্দকার পাড়ার বাসিন্দা এসএম ফেরদৌস বলেন, “অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোর এমন বেহাল দশায় রিক্সা চালকরাও যেতে চায় না। আবার কেউ গেলে ভাড়াও চড়াও করে।” তিনি জানান, অনেক যাত্রী প্রয়োজন না হলে শহরের ভিতরের রাস্তা এড়িয়ে মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করেন।

 

পৌর এলাকার হাটখোলা, খন্দকার পাড়া, সাবরেজিস্ট্রি অফিস, পৌরসভা কার্যালয়, থানা সড়ক, সকাল ও বিকেল বাজারসহ প্রায় সব সড়কেরই একই দুরবস্থা।

 

বারোদুয়ারী হাট রোডের ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম জানান, সাময়িকভাবে খোয়া দিয়ে সংস্কার করা হলেও বৃষ্টিতে তা আবার নষ্ট হয়ে যায়, ফলে গর্ত বাড়ছে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মালামাল আনতে-নিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 

বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক খান। তিনি রূপালী বাংলাদেশ কে  জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থার ঘাটতি এবং রাস্তার দুরবস্থা সমাধানে কাজ চলমান। কোভিড-১৯ প্রকল্পের আওতায় ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৩ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩টি ওয়ার্ডে কাজ শেষ, বাকি ৬টিতে কাজ চলছে।

 

এছাড়াও আরইউটিডিপি (রিসাইলেন্ট আরবান টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট) থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে পৌরসভা। এই অর্থ দিয়ে হাজীপুর ৪ লেন রোড থেকে ধুনট রোড ডক্টরস ক্লিনিক পর্যন্ত মূল সড়ক ও সংশ্লিষ্ট লিংক রোডগুলোর উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পৌরবাসী রাস্তাঘাট উন্নয়নের বাস্তব সুফল পাবে এবং দুর্ভোগ অনেকাংশে কমবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা