• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

মাদ্রাসার লাখ টাকার গাছ সাবাড়, নেই অনুমতি বা নিলামের প্রক্রিয়া

সামসুজ্জামান সুমন কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধি / ১৩৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে বড়ভিটা পশ্চিম পাড়া হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা নামে এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক লাখ টাকার মূল্যের একটি গাছ গোপনে কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সুপারের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান,গত ৮ আগস্ট- শুক্রবার দিনের বেলা প্রকাশ্যে ১টি মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করেন মাদ্রাসা সুপার আবু রায়হান। তবে এ বিষয়ে মাদ্রাসাটির আহ্বায়ক কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত বা সরকারি অনুমতি ছিল না। গাছটি কেটে স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে প্রায় লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি করেন।

জানা যায়,শুধু গাছ কাটা বিষয় না,তিনি মাদ্রাসার নামে সকল চাষাবাদি জমির ফসলও ভোগ করতেন। তবে ২০২৪-এর জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পতনের পর তিনি মাদ্রাসায় নিয়মিত আসেন না। তারপরেও কোনো জবাবদিহি নেই।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষক জানান, অনিয়ম বিষয়ে জানি না। তবে মাদরাসার পিছনে একটি গাছ ছিল মাদ্রাসার। বিষয়টি “আমরা পরে জেনেছি।” তবে গাছ কাটার কোনো বৈধতা ছিল কি না, তা জানি না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ অবৈধভাবে কাটা প্রসঙ্গে মাদ্রাসা সুপার আবু রায়হান এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এটি প্রতিষ্ঠানের গাছ নয়।
তবে মাদ্রাসার জমির গাছ হয় কি না আপনি এবিষয়ে জমি যাচাই -বাছাই করেছেন কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,না জমি পরিমাপ করি নাই,মাদ্রাসার শিক্ষকরা বলছে এটি প্রতিষ্ঠানের জমির মধ্যে গাছটি নেই।

ওই ইউনিয়নের সচেতন মহল জানান, তার অনেক অনিয়ম। তিনি কোনো অনুমতি না নিয়ে মাদ্রাসার গাছ কাটলেন। এর সঠিক তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

কিছু অভিভাবক জানান, নানাবিধ অনিয়মের কারণে তিনি পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজকর্ম করেন না। এটি একটি ধর্মীয় ও জনসম্পদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, সেখানে গাছ কাটা বা সম্পদ বিক্রি হলে সবার জানার অধিকার আছে। সেটা কাউকে না জানিয়ে এমন ঘৃণ্য কাজ করেছেন। এজন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এ নিয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতম সাহা বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা