• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

ক্ষমতায় এলে বদলে যায় আচরণ—মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হুমকি: শহিদুল আলম

অনলাইন ডেস্ক / ৮৪ Time View
Update : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

ক্ষমতায় গেলে অনেকের অবস্থান ও আচরণ পরিবর্তিত হয়, যা মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে—এমন মন্তব্য করেছেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে শহিদুল আলম গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ স্থগিত এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী।
ক্রসফায়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নতুন কোনো বিষয় নয়; বরং বিভিন্ন সরকারের সময়ে ভিন্ন ভিন্ন নামে উপস্থাপিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগে একে অন্য নামে ডাকা হলেও পরে ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন’ কার্যক্রম হিসেবে পরিচিতি পায়। ক্ষমতায় আসার পর অনেকেই এর বিরোধিতা থেকে সরে আসেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শহিদুল আলম বলেন, ২০০৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ক্রসফায়ারের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছিলেন।
২০১০ সালে নিজের আয়োজিত ‘ক্রসফায়ার’ প্রদর্শনী নিয়ে তিনি বলেন, শুরু থেকেই নানা চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। প্রদর্শনী বন্ধের জন্য ফোন আসে এবং একপর্যায়ে সশস্ত্র পুলিশ তার অফিস ঘিরে ফেলে। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং সেখান থেকে সাময়িক অনুমতিও পান। তবে তিনি দাবি করেন, তখনকার মতো এখন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সাহস আর আগের মতো নেই।
তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের গোপন নির্যাতনের স্থান হিসেবে পরিচিত তথাকথিত ‘আয়নাঘর’গুলো পরিদর্শন করে সেখানকার বাস্তবতা জনগণের সামনে তুলে ধরা জরুরি। এ ধরনের নির্যাতন কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে শহিদুল আলম ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতেও কথা বলেন। ফিলিস্তিনিদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় তুলে ধরে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে তার এসব বক্তব্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা