• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ডাকাতির ৬৪৩ কার্টুন সয়াবিন তেল মিলল শেরপুরে, পুলিশের জালে দুইজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রামে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট কিশোরগঞ্জে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ২লাখ ২২হাজার টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার এক হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে যাত্রাপুর ইউনিয়ন এনসিপির কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বেতন-ভাতার দাবিতে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান কর্মসুচী

দুপচাঁচিয়ায় কৃষকের স্বপ্ন পানিতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা

গোলাম মুক্তাদির সবুজ , দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি / ১৪৩ Time View
Update : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে টানা চার দিনের বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ধানের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমন ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ঘরে তোলার আগমুহূর্তে আধাপাকা ধান শুয়ে পড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ১১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ১০০ হেক্টরে উফশী জাতের ও ৫০০ হেক্টরে হাইব্রিড জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। তবে টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কিছু জমির ধান নুয়ে পড়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠ পরিদর্শন করে দেখা যায়,বৃষ্টির পানিতে আধাপাকা ধানক্ষেত নুয়ে পড়েছে । কৃষকরা নুয়ে পড়া ধানগাছ গুচ্ছ করে বেঁধে রাখার চেষ্টা করছেন। এতে ফলন ও ধানের মান নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

মোস্তফাপুর এলাকার কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন,“তিন বিঘা জমিতে অনেক কষ্ট করে আমন আবাদ করেছি। এখন যখন কাটার সময়, তখনই বৃষ্টি এসে সব নষ্ট করে দিল। জমিতে ধানগাছ শুয়ে পরায় শীষ ভিজে যাচ্ছে, এতে ফলন অর্ধেক হয়ে যেতে পারে।”

কোলগ্রাম এলাকার কৃষক শাহজাহান আলী বলেন, সাধারণত এই সময় আবহাওয়া স্থিতিশীল থাকে। কিন্তু এবারের আকস্মিক বৃষ্টিতে অনেক জমির ধানগাছ শুয়ে পড়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পোকা ধরার আশঙ্কা রয়েছে। তখন ধান চিটা হয়ে যাবে, ফলনও অনেক কমে যাবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল আবেদীন বলেন,এখন পর্যন্ত খুব বেশি জমির ধান শুয়ে পড়েনি। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি, যেসব জমিতে ধান শুয়ে পড়েছে সেগুলো গুচ্ছ করে বেঁধে দিতে ও পটাশ সার প্রয়োগ করতে। তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা